নবীগঞ্জ ও সোনারগাঁ শাখায় চক্ষু ক্যাম্প ও সাধারন স্বাস্থ্য সেবা
December 3, 2018
Training Performance Report (November-2018)
December 5, 2018

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে উৎপাদকের পাশে সিদীপ

বাংলাদেশের যে কটি জেলায় খেজুরের  এর গুড় উৎপাদিত  হয় তার মধ্যে রাজশাহী জেলা অন্যতম ।এ জেলার পুঠিয়া উপজেলায় বেশ ভালমানের গুড় উৎপাদিত  হয় যার খ্যাতি সারাদেশ জুড়ে। শীত মৌসুমের শুরুতেই দুটি হাটসহ পুরো উপজেলায়  প্রায় আড়াই শতাধিক আড়ত গড়ে ওঠে। কিন্তু বর্তমানে জ্বালানি সংকট এবং ভাল দাম না থাকায় দিনে দিনে খেজুর গাছের সাথে সংশ্লিষ্ট চাষীরা  মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন ।

গুড় উৎপাদনের সাথে আর্থিক মুনাফা অর্জনের জন্য গ্রামীণ জনপদে এক অসুস্থ উৎপাদন ব্যবস্থা চালু রয়েছে  , যার মূল কারণ উৎপাদণ  খরচ  বেড়ে যাওয়া এবং গুণগত মানের গুড় উৎপাদন । বর্তমান সময়ে ভোক্তারা অন্যান্য খাবারের মত অস্বাস্থ্যকর গুড় খেয়ে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে ।  এ সমস্ত দিক লক্ষ রেখে  সিদীপ থেকে  গ্রামীণ  জনপদে এই গুড় উৎপাদনে আন্তর্জাতিক মানসন্মতভাবে উৎপাদন এবং জ্বালানি  সাশ্রয়ী SS স্টিল  এর তাপা উৎপাদন এবং ব্যাবহারের উদ্যোগ নেয়া হয় । 

এই উদ্যোগ এর ফলে চাষীরা এম এস স্টিলের তৈরি  ট্রে যেটি স্থানীয় ভাবে রাস্তার ঢালাই পিচ রাখার কণ্টেইনার থেকে তৈরি  করা হয় সেটি থেকে SS স্টিলের তৈরী তাপা / ট্রে ব্যাবহার এ ব্যাপক আগ্রহ পোষণ করছে । এম এস স্টিলের তৈরী ট্রে  গুলো  জং পড়ে যায় এবং  এগুলো  ফুড গ্রেডেড হয় না । এই ট্রে অনেক আস্তে আস্তে গরম হয় এবং প্রচুর জ্বালানি খরচ করে । অপরপক্ষে  SS এসএস স্টিলের তাপা / ট্রে  কম সময়ে দ্বিগুণ থেকে ৪ গুণ গুড় প্রতিদিন জ্বাল দিতে পারা যায় । এটি ১০০ ভাগ ফুড গ্রেডেড স্টিল থেকে উৎপাদিত । এবং এতে উৎপাদিত গুড় অনেক ভাল মানের হয়ে থাকে। এর উৎপাদন খরচ প্রাথমিক ভাবে একটু বেশি হলেও এক একটি তাপা ৮/ ১০ বছর ব্যবহার করা যায় ।  

 

    

চাষীরা এইভাবে গুড় উৎপাদন করে বেশি মুনাফা করছেন এবং সময়  ও জ্বালানি কম খরচ  হওয়ায় বেশ খুশি  । সিদীপ আশা করে আগামী দিনগুলিতে নিরাপদ খাদ্য  উৎপাদনে এই উদ্যোগ মঙ্গলকর হবে এবং উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি করে চাষীরা দেশের সুনাম এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করবে।  

 

Leave a Reply